বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯

গল্প বৈঠক -৩৪ @ স্কুলডাঙা, বাঁকুড়া

 গল্পবৈঠকের ৩৪ তম আসর বসেছিল বাঁকুড়ার স্কুলডাঙায়। আর্ষ পত্রিকার দফতরে। রবিবারের মধ্যাহ্নভোজের পর সুখঢেঁকুর তুলতে তুলতে দুপুর ঘুমের হাতছানিকে প্রশ্রয় না দিয়ে হাজির হয়েছিলেন স্থানীয় মানুষজন। সেদিন উপস্থিত ছিলেন মোট আটজন গল্পকার।  গল্পের আলোচনায় ছিলেন আর্ষ পত্রিকার সম্পাদক মধুসূদন দরিপা এবং গল্পবৈঠকের পক্ষ থেকে হাজির ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে একসুতোয় পরিচালনা করেছিলেন বাঁকুড়ার লেখক ভজন দত্ত। সঞ্চালনায় ছিলেন শ্রাবন্তী বটব্যাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কবি উমা মাহাতো এবং প্রাবন্ধিক বিপ্লব বরাট প্রমুখরা। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় সদ্য প্রয়াত নবনীতা দেব সেন কে নিয়ে স্মৃতিচারণা করলেন। তাঁর জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন এবং একটি সঙ্গীত পরিবেশনার পরেই শুরু হল সেদিনের গল্পপাঠ।  
সেদিনের প্রথম গল্পকার ছিলেন গল্পলোক পত্রিকার সম্পাদক এবং লেখক রামামৃত সিংহ মহাপাত্র।  তাঁর "দেবী" গল্পটির থিম বহুচর্চিত। আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এখনো মেয়েদের ভর হওয়া, ডাইনি বানিয়ে দেওয়া বা তা থেকে তার দেবীতে উত্তরণ নতুন কোনো ঘটনা নয় কিন্তু আঞ্চলিক ডায়ালেক্ট প্রয়োগে এবং লেখনশৈলীর মুন্সিয়ানায় অন্যরূপে যেন ধরা দিল গল্পটি।গল্পটি শুরুতেই মাত। "ভর করলে তুই মানুষ থাকুস নাই, দেবতা হয়ে যাস" সংসার পেতেও সুখ হয়নি পুতুলের। একে একে বাপী, বাদল সবার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে ঘর ছেড়ে বাবার কাছে চলে এসেছিল সে।  তারপর কিভাবে যেন সবাই মিলে পুতুলের মধ্যে ভর হওয়া এবং তার থেকে রোজগারের একটা দিশা দেখতে পায়। মানে পুতুল কে ব্যাবহার করে গ্রামের লোক এবং সেই সঙ্গে তার বাড়ির লোক‌ও। যেন নিজে দেখেশুনে বিয়ে করে ঘর করতে পারোনি এবার কাজে লাগো একটু। সেইখানেই গল্পটি সার্থক।  
  
পরের গল্পকার রম্যলেখক পার্থসারথি গোস্বামী। গল্পের নাম "টার্গেট"। লেখক যে রম্যরচনাই লেখেন তা বেশ বোঝা যায়।  গল্পটি শুরু হয় ক্রিকেট ম্যাচ দিয়ে। এবার তার গতিময়তায় এবং গল্পের বুননে প্রতি ছত্রে ছত্রে হাসির খোরাক গল্পটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। আমাদের অতি পরিচিত ঘরগেরস্থালির কথোপকথন, শাশুড়ি বৌমার অভিযোগ, অনুযোগ এবং গৃহকর্তা বাড়ি ফেরার পরেই সেই চাপান‌উতোরের মধ্যে দিয়ে এগুতে থাকে গল্পটি।   এদিকে গৃহস্বামীর সেই বহু আশার ক্রিকেট ম্যাচটি যেন মনের দোরে কড়া নেড়েই চলে। তার মধ্যেই ছেলের পড়াতেও ভাটা। বেচারা গৃহকর্তা!  অথচ খামতি নেই তার ঘরণীর সিরিয়াল সর্বস্বতায় আর সেই সিরিয়াল থেকে গল্প বারেবারেই এসে বরের ক্রিকেট ম্যাচের ইন্টারেস্টিং মূহুর্তে রিলে করার তাড়না। খুব আটপৌরে টপিক কিন্তু আদ্যোপান্ত হাসির খোরাক গল্পটিতে।  

এরপরের গল্প বৈশাখী গুপ্ত"তেলের শিশি"। বেশ নতুন ধরণের গল্প। এক পরিবারের মায়ের মৃত্যু কে ঘিরে। মায়ের মরদেহ শ্মশানে দাহ করার মধ্য দিয়ে একটি অত্যন্ত সাবলীল ভঙ্গিমায় কথোপকথন। সেই মৃত মানুষটিকে বারেবারে টেনে আনা প্রসঙ্গ থেকে শুরু করে ডোমেদের সেই মড়া পোড়ানোয় কত টাকা রফা হবার মত অথবা মৃত গৃহকর্ত্রীর সংসারে ছেলের "ব‌উ" আনার ফলে তাঁর সংসারের মোড় ঘুরে যাওয়া অবধি  বিষয়গুলিও। সেই আলাপচারিতা যেন শুনতে পায় জ্বলন্ত চিতার মধ্যের মানুষটি। একদিকে দাউদাউ চিতার আগুণ অন্যদিকে রাস্তার টিমটিমে পথবাতির দপ করে জ্বলে ওঠা। সেই মূহুর্তেই মৃত মায়ের ছেলে আবিষ্কার করে পুরনো, চেনা "মা, মা" গন্ধটা।  তার মনের আলোড়নের ছবিটা নিটোল। প্রিয়জন আগুণে জ্বলতে জ্বলতে ছাই হয়ে যেতে যেতে মনের ভেতরের হাহাকার টের পায় সে।   মায়ের অস্থি ভাসিয়ে সে বুঝতে পারে মায়ের মর্ম। আবার তার পায়ে যখন টান ধরে,  তখন তার মায়ের বানিয়ে রেখে দেওয়া তেলটি‌ই সে ব্যাথার মোক্ষম ওষুধ, মালিশ করে দেওয়া হয় তার পায়ে। মা বেঁচে থাকতে সে তেলের মর্ম কেউ বোঝেনি আজ বুঝি সেই তেলের সার্থক প্রয়োগ হয়।  সেখানেই গল্পের নামকরণটি সার্থক।  

এরপর সংকল্প নামে একটি সাহিত্যপত্রের যুগ্ম সম্পাদক সাধনচন্দ্র সত্পথীর গল্প অস্তরাগ। এই গল্পে মধ্যজীবনের সংকটটি বেশ প্রকট ভাবে ধরা পড়ল। সুদেষ্ণার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া দিয়ে শুরু হয় গল্পটি। সেই থেকে এক চরম সেন্স অফ ইনসিকিউরিটি এবং এক‌ই সঙ্গে স্বামীর প্রতি তার অধিকারবোধ তুলে এনেছেন লেখক।  যথারীতি আগের রাতে তুমুল ঝগড়া হয়ে বাক্যালাপ বন্ধ সুদেষ্ণা পরদিন প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে সঙ্গিনীদের সঙ্গে হাসতে পারেনা, হাসাতেও পারেনা।  সুদেষ্ণার লেখক স্বামী  সুদেবের একনিষ্ঠ সাহিত্যচর্চার কারণেই সে ঝগড়ার সূত্রপাত। কেবলি স্ত্রী ভাবে সে একা হয়ে পড়ছে। তার প্রতি স্বামীর মনোযোগ নেই। মানে অ্যাটেনশন ডেফিসিয়েন্সি তে ভোগেন সুদেষ্ণা । আর সেই থেকেই জন্ম নেয় সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং নিরাপত্তাহীনতা। এই অবধি ঠিক ছিল সবশেষে সুদেষ্ণা কে খুশি করার জন্য, তার হাসিমুখ দেখার জন্য সুদেব যেকোনো মূল্যে তার  গল্প লেখার অভ্যাসটিকে প্রশ্রয় দেবেন না বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এই বিষয়টা নিয়ে লেখক আরো ভাবতে পারতেন।   

এরপর  সংকল্প সাহিত্যপত্রের আরেক যুগ্ম সম্পাদক  সবিতাব্রত সিংহবাবুর "একটি রঙিন ছাতার গল্প" বিষয়ে বৈচিত্র্য না থেকেও সার্থক ছোটগল্পে উন্নীত। 
অভাবের সংসার। অসুস্থ বাবা। সুবর্ণ টিউশান পড়িয়েও চেষ্টা করে চলে। ভাবে একদিন দুর্ঘটনায় পঙ্গু বাবা ভালো হয়ে যাবে ঠিক। বাবা যেমন নিজের পায়ে আর কোনোদিন দাঁড়াতে পারবেনা সেটাও যেমন ঠিক সুবর্ণ ও যে আবার পড়বে, চাকরী করবে সেই আশা নিয়ে বেঁচে থাকে মা। "দিশাহারা মানুষ স্বপ্নের মধ্যেই আবার দিশা খুঁজতে থাকে" সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইন এটি। 
মায়ের অসহায়তা, তাঁর বড় ছেলের আলাদ সংসার পাতা সবেতেই ভারাক্রান্ত মন ভালো দেখিয়েছেন গল্পকার।  
আরও একটি বাক্য বেশ মনে রাখার মত। "সম্পর্কগুলো ঘূর্ণীয়মান চাকার মতো আজ যে উপরে আছে কাল সে নীচে নেমে যাবে"                
আবার সেই টানাপোড়েনে সুবর্ণর ছাত্রী নীলার সঙ্গে তার মধুর প্রেমের দিকটাও বেশ ভাল লাগে। তবে শেষের দিকটা বড় দুঃখের। সেখানে  নীলার সঙ্গে অধরা প্রেমের দিকটা আরও নিপুণ করে দেখানো যেত। সুবর্ণর জীবনে ছাতা গুলি আর রঙিন হয়ে ওঠেনা। 
প্রথম বর্ষের ছাত্র হামিরুদ্দিন মিদ্যার গল্প "মায়ের জান" সম্পূর্ণ বাস্তবধর্মী একটি গল্প। মুসলিম সমাজে এখনো যে পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে মুসলিম নারীদের দিনযাপন হয় তা বেশ সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন হামির। মেয়েরা যুগ যুগ ধরে মেনে নিচ্ছেন বারেবারে গর্ভধারণের মত বিষয়টিকে। এরূপ এক মা বারবার গর্ভধারণ করে ক্ষান্ত হন না। বরং গর্ভে সন্তান না এলেই তিনি অসুখী। কোল খালি থাকাটা যেন সেই মায়ের পক্ষে নিন্দনীয় অপরাধ। তাঁর সংসার যাপনের অপরিহার্য অঙ্গ হল সন্তানের জন্ম দেওয়া।ছাগলছানাদের দেখেও তার মা হবার সাধ জাগে।এহেন মা'টি যখন জানতে পারলেন যে বর্তমানে গর্ভ ভাড়া দেওয়া হয় তখন তিনি সেই পন্থাতেও মা হতে ইচ্ছুক, জানালেন সেইকথা।  তবে হামির‌উদ্দিনের বাক্যগঠন আরো উন্নত হোক। এখন সে সাহিত্যজগতে নতুন। তার কাছে আরো প্রত্যাশা র‌ইল আমাদের।  
    
পরের গল্প অনুষ্ঠানের আয়োজক, টেক-টাচ-টক পোর্টালের অন্যতম কর্ণধার ভজন দত্তের। গল্পের নাম "কানাঘুঘু"। অত্যন্ত সময়োপচিত এবং প্রাসঙ্গিক গল্প আজকের যুগে দাঁড়িয়ে। 
এখনকার জীবনে সবকিছুই খুল্লামখুল্লা। অনমিত্রের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাধ্যমে উঠে আসে গল্প বলা। তার অফিস কলিগ আকাশ চরিত্রটি রয়েছে সেই প্রেক্ষাপটে। মুখ বুজে কিছু বন্ধুত্ব সহ্য করে যেতেই হয় তেমনি অনেকটা। অনমিত্র আকাশকে বলে যাচ্ছে, পাখি শিকারের কথা।অনিচ্ছা সত্ত্বেও শুনে যেতে হচ্ছে আকাশকে। এভাবেই গল্পের শুরুয়াত। অফিসের পদমর্যাদা, স্ট্যেটাসের মত কিছু অনুষঙ্গ এসে পড়ে গল্পে যা সুন্দরভাবে ফুটিয়েছেন লেখক। আকাশ জানে অনমিত্রের স্বভাব চরিত্র সম্বন্ধে। 
অনমিত্র কিন্তু এক ছদ্ম গাম্ভীর্য নিয়ে ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে থাকেন না। স্বীকার করেন একের পর এক তার নারী সঙ্গের কথা। আকাশ সব বোঝে কিন্তু বুদ্ধি করে চলে।ঘাঁটায় না। একের পর এক এভাবেই পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়ে দুপক্ষ। এই বিস্তারিত বাক্যালাপের দিকটায় গল্পটির সুতো একটু হলেও ঝুলে গেছে বলে মনে হয়। 

"একি শুধুই লোভ! ভোগবাসনা! না কি কোথাও একটু ভালোবাসা!" এই বাক্যটিই যথেষ্ট ছিল সেখানে।  
এরপরেই মঞ্চে উড়ে আসে হাজির কানাঘুঘু। রমা নামের এক পাখীটিকে ধরার ফাঁদ পাতেন কণিকা নামে এক কনাঘুঘুর মাধ্যমে।   
আকাশ জানতে চায় কানাঘুঘুর অর্থ। কানাঘুঘু ব্যবহার করা হয় পাখি শিকারের বা ধরার জন্য। 
"শিকারিরা প্রথমে একটি পাখিকে পোষ মানায় প্রথমে, তারপর সেই পাখিটির চোখ কোনো কোনো শিকারি আবার অন্ধ করে দেয়।যেখানে পাখি ধরার ফাঁদ পাতে সেখানে পাখিটিকে পায়ে বেঁধে তার চারপাশে খাবার ছড়িয়ে দেয়। পাখিটা খায় আর ডাকে। তার ডাক শুনে অন্য পাখিরা এসে শিকারির ফাঁদে পড়ে।তারপর শিকারি ইচ্ছেমত পাখিগুলিকে জবাই করে।" এটি গল্পের উৎকৃষ্ট দিক। 
ওদিকে আকাশের স্ত্রী রীপাও যে অনমিত্রের ফাঁদে পা দিয়েছে এবং গল্পের শেষ মোচড় এটিই যেখানে আকাশের নিজেকে মনে হয় কানাঘুঘুর মত। গল্পটির মধ্যে উপন্যাসের বিন্যাস হলে আরও ভালো হবে। গল্পের প্লট হিসেবে সার্থক। 

লিখলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়


ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের  "ঘুমপাড়ানি চাউমিন" গল্পটির শ্রবণ প্রতিক্রিয়া জানালেন ভজন দত্ত

"মা যখন শীতের রাতে কাঠ জ্বালিয়ে রান্না করতেন, আমরা আগুন থেকে নিরাপদ দূরত্বে বসে দেখতাম মা ভাতের হাঁড়ি থেকে একটা হাতায় করে কয়েকটি ভাত তুলে টিপে টিপে দেখে বলতেন,'ব্যাস হয়ে গেছে।' 

গল্পবৈঠক ৩৪ এ আমাদের বাঁকুড়ায় এসে ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের কাছে যখন 'ঘুমপাড়ানি চাউমিন' নামের গল্পটি যেই শুনলাম, তখন আমার মায়ের কথাই মনে হলো প্রথমে। ঠিক যেভাবে এই গল্পে মায়ের চাউমিন রান্নার গল্প বলছে টাপুর।ছোটরা কত নিঁখুতভাবে পর্যবেক্ষণ করে তা আমরা হয়তো কেউ খেয়াল করি না!গল্পচ্ছলে এই গল্প শুরু হলেও সমাজের এক ভয়ংকর বা বিভৎস রূপের পর্দা ছিঁড়ে এই গল্প যেন চোখে আঙুল দেওয়ার এক গল্প।কন্যাভ্রুন হত্যার কথা আমরা জানি অনেকেই। জানি, কন্যা সন্তান হলে এখনো তাদের নানাভাবে  মেরে ফেলার কথা।এই গল্পটি সেখান থেকে ১৮০° ঘুরে এক জীবনের কথা বলে এবং শেষ পর্যন্ত  ভালোবাসার কথা বলে।যে টাপুর জানে তার মা তাকে নর্দমা থেকে কুড়িয়ে এনে মানুষ করেছে,সেই যখন তার মায়ের কাছেই  জানতে চায় সত্যিটা, তখন টাপুরের মা সমাজের  যে নির্মম সত্যটি যেভাবে তুলে ধরেন তা পাঠককে, শ্রোতাকে স্তব্ধ করে এই গল্পের কাছে, গল্পের স্রষ্টার কাছে নত করে ভাবতে বাধ্য করে,সেখানেই গল্পকারের মুনশিয়ানা এই গল্পের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
গল্পকার ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের সমগ্র সৃষ্টিকে আমার জানার,পড়ার সৌভাগ্য হয়নি,সে আমার দুর্ভাগ্য। মায়ের ঐ ভাত দেখার মতোই বুঝতে পারছি, তাঁর সৃষ্টি, সৃজন কতখানি মর্মস্পর্শী হতে পারে। হাতে গোণা কয়েকটি শব্দের মধ্যে তাঁর যে খেলা, সেই খেলায় তিনি বিজয়ী এবং পাঠকও বিজয়ী। আমার সৌভাগ্য হলো দিদির মুখে দিদির লেখা একটি অসাধারণ গল্প শোনার।আরো শুনবো, পড়বো। ফুটন্ত ভাতের গন্ধেই এখন যে ভীষণ খিদে পাচ্ছে।  







৩টি মন্তব্য:

  1. Golpo boithok kolkata shohorer gondi chhariye chhoriye porchhe poshchim bonger sorbotro! Bhabtei gorbo hochhe amader golpo boithoker member der. Onushthaner review o chhobi khub sundor

    উত্তর দিনমুছুন
  2. দেখে কি যে আনন্দ হয়। গল্প বৈঠক কত গভীরে চলে গিয়েছে। গল্প গুলো শুনতে পেলে আরও আনন্দ হত।

    উত্তর দিনমুছুন